There are many restaurants and street food in Chittagong if you talk about Bangladeshi delicious food. You can find out about the popular food of Chittagong in my blog. Stay with us Thanks.
আপনারা গরুর নলা খেয়েছেন আর হালিম ও খেয়েছেন অসংখ্যবার। আমি এই দুটি ফুড নিয়ে আমার ব্লগেও লিখেছি। কিন্তু নলা হালিম একসাথে খেয়েছেন কখনও?? নিশ্চয় না। শুনতে অবাক হলেও সত্য সেই রেসিপি তৈরী করেছেন মোঃ সালাউদ্দিন নামে এক হালিম বিক্রেতা। তার গ্রামের বাড়ী লাক্সাম এ। কথা বলে জানতে পারি চট্টগ্রামে ফুটপাথে এই ব্যবসায় নামার আগে তিনি ছিলেন ঢাকা শহরে। ঢাকার পান্থপথের বসুন্ধরা সিটির লেভেল ৬ এ ভাড়ায় নেওয়া একটি মোবাইল এক্সেসরিস এর দোকান ও ছিলো তার। কিন্তু সেই ব্যবসায় বেশিদিন টিকে থাকতে পারেননি। বড় লোকসান হয় তার। অতঃপর চট্টগ্রাম এর ওয়ারল্যাস মোড় এর টি এন্ড টি অফিসের গেইট এর সামনের ফুটপাতে "সাহাবী শাহী হালিম" নাম দিয়ে শুরু করেন তার ব্যবসা। আল্লাহর রহমতে তিনি এখন ব্যবসায় একদম সফল। সফল হওয়ার চাবিকাঠি আমার মতে একটাই সেটি হলো তার এই হালিম এ রয়েছে এক ধরনের রহস্যময় স্বাদ যা অন্য কোনো ফুটপাতের হালিমে পাওয়া অনেকটা দুস্কর। আজ এক কাছের বন্ধুকে নিয়ে দূর থেকে চলে গিয়েছিলাম নলা হালিম উপভোগের জন্যে। সত্যি ভীষণ ভালো লেগেছে। মন্তব্য করার মতো কিছুই ছিলোনা। তার আচার ব্যবহারও ছিলো যথেষ্ট ভালো।...
আজ আলোচনা করবো চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার গরুর নলার পায়া নিয়ে। গরুর পায়া খেতে কার না মন চাইনা?? সে গরুর নলার পায়ার ভিতরের মগজ সদৃশ অংশটি বের করে খেতে কতইনা প্লেট ভেঙেছি তার কোনো হিসেব নেই 😆সত্যি বলতে এখন ঘরে গরুর নলার পায়া সবসময় তেমন একটা রান্না হয় না। বিশেষ করে কোরবানীর সময় গরুর পায়া ও ঝোল দিয়ে রুটির সাথে চুবিয়ে চুবিয়ে খাওয়া আহ! কতোই না ভালো লাগে। তবে এখন কোনো বিশেষ দিনের জন্য গরুর নলার পায়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়না। এখন হাত বাড়ালেই চট্টগ্রাম শহরের প্রায় অনেক হোটেল এ গরুর নলার পায়া পাওয়া যায়। যখন আগ্রাবাদ যাই এক্সেস রোডের ক্যাফে নুর হোটেলের পায়া মিস করতে ভুল করিনা। তাছাড়া বিখ্যাত হোটেল দস্তগীরের নলা তো আছে 👌👌👌 তবে সমস্যা একটা সেটা হলো দস্তগীরের নলা খেতে হলে সকাল ৫ টায় আপনাকে উপস্থিত থাকতে হবে। এছাড়া অন্য সময় পাওয়া মোটেই সম্ভব নয়। যাই হোক একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চাই সেটা হলো যারা হৃদরোগে বুগছেন বা শরীরে কোলেষ্টেরল এর পরিমাণ বেশী তাদের নলা এড়িয়ে চলা ভালো। তো নলাপ্রেমীরা মজাদার নলা খেতে চাইলে চলে যেতে পারেন হোটেল দস্তগীর কিং বা ক্যাফ...
সিঙ্গারা ও সমুসা খেতে ভালবাসেন এ দেশের হাজার হাজার খাদ্যপ্রেমী মানুষ। তবে অনেকেই জানেন না এর উৎপত্তি ভারত কিংবা বাংলাদেশে নয়। ইতিহাস চর্চাকারীদের মতে, ফার্সি শব্দ ‘সংবোসাগ’ থেকেই সিঙ্গারা শব্দের উদ্ভব। তারা দাবি করেছিলেন গজনবী সাম্রাজ্যে সম্রাটের দরবার এ এক ধরনের লবণাক্ত মচমচে খাবার পরিবেশন করা হতো যার মধ্যে কিমা, শুকনো বাদাম আরো অনেক কিছু দেওয়া হতো। এটাই ছিলো নাকি সিঙ্গারার আদি রূপ। বিখ্যাত ইরানের ইতিহাসবীদ আবুল ফজল বায়হাকি দাবি করেছিলেন ইরান থেকেই নাকি সিঙ্গারা এসেছে। তাঁর মতে সিঙ্গারার জন্মস্থান ইরান। আবুল ফজল বায়হাকির ‘তারিখ-এ-বেহাগি’ বইয়েও ‘সাম্বোসা’র কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছে। আবুল ফজলের দাবি অনুযায়ী, ইরানের এই ‘সাম্বোসা’ই সিঙ্গারার আদি রূপ। আমির খসরুর রচনাতেও এর কথা উল্লেখ আছে। আর সমুচার উৎপত্তি মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম বলে অনুমান করা হয়, বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা মধ্যপ্রাচ্যে গেলে সমুচা খেতেন। যা পরবর্তীতে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এটি ছিলো ইতিহাস। এখন আমাদের কথায় আসি। বাংলাদেশ তথা চট্টগ্রামে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে সিঙ্গারা আর সমুসা পাবেন ন...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন